Click here to download Mobile App for Android

Click here to download Mobile App for iOS

History

Page Type

 

HISTORY OF THE PRESENT LEGAL SYSTEM OF THE DISTRICT MIDNAPORE

The earliest legal system of Midnapore with  gradual development after Muslim Rule began with the administrative plan of 1772 by the then Governor General. It was devised with a District as the unit. The territory of Bengal, Bihar and Orissa was sub divided into a number of districts with the District Midnapore. In each of the Districts an English servant of the company was appointed as Collector, responsible for the collection of land revenue. The Judicial Plan was integrated with this scheme for revenue collection.

A Mofussil Diwani Adalat was established in each District including the District of Midnapore with Collector as a Judge. He was authorized to decide all civil cases such as disputes relating to real and personal property, inheritance, marriage, caste, debts, disputed accounts, contracts, partnerships and demands of rent. In all suits regarding inheritance, marriage, caste and other religious usages and institutions, the law of ‘the Quran with regards to Mohammedans, and those are Sashtras with respect to the Hindus’ were to be applied. The Collector who were called up on to administer justice, being Englishmen did not know much about these legal systems.

To facilitate disposal of small cases, provision was made for disputes up to Rs. 10/- to be decided finally by the head farmer of the Pargana where the dispute arose.

A Mofussil Nizamat or Fouzdary Adalat was established in the District to try all kinds of Criminal Cases. The Adalat consisted of the Muslim Law Officers, Kazi, Mufti and Moulavis.

A few provisions were made to promote pure and impartial justice. All cases were to be heard in open Court. All Adalats were to maintain proper registers and record. District Adalats were to transmit abstracts of their records to Sadar Adalats. Famous case named Cussijoya Case was tried.

Court stood for protection of the rights and property of individuals against encroachment by the Government Officers. A policy was devised for separating the two functions under Regulation-II of 1793 which abolished the Mal Adalats and transferred the Suits triable there to the Mofussil Diwani Adalats. Henceforth the Collector was responsible only for collection of revenue. The power of administering Civil Justice was taken away from the Collectors and given to the Dewani Adalat with Civil and Criminal powers. The first such District Judge of Midnapore district was Mr. Sermon Bard. Diwani Adalat were reorganized and Sadar Diwani Adalat became the highest Court in the Judicial hierarchy and the Governor General and members in council were to sit as Judges there. Simultaneously sub-ordinate Civil judicature was reorganized through out the District. System of payment of Court Fees was abolished. Another very useful and wholesome innovation was to create and organized the profession of Lawyers or Vakils on a regular and sound basis. A conspicuous defect in the scheme of 1793 was the exclusion of the Indians from any effective share in the public administration. Certain reforms were made thereafter. On 6th of April 1781, 13 Nos. of Civil Courts were established with one in Midnapore District with a District Judge having Civil and Criminal power. A close revolutionary comrade of the great martyr Kshudiram Bose was Jogjiban Ghosh. After the incident at Mujaffarpur the Britishers arrested many young men and many reputed persons of Midnapore and they were Aurobinda Ghose, Barindra Kumar Ghosh, Hem Chandra Das Kanungo, Satyendra Nath Bose, Jogjiban Ghosh and others and the celebrated Midnapore conspiracy Case was started. But the said Case was a false one and the accused persons were acquitted .                                                                  

 

ইষ্ট ইন্ডিয়া  কোম্পানীর রাজত্বের প্রথম অবস্থায় তাঁহারা রাজস্ব আদায় এবং ব্যবসা বাণিজ্যে বিশেষ ব্যস্ত থাকায় দেশের ফৌজদারী ও দেওয়ানী কার্যাদি সংস্কারে মনোযোগ দিতে পারেননি । কিন্তু বর্তমান অখণ্ড মেদিনীপুর এবং বর্ধমান জেলার যে যে অংশ নবাব মীরকাশেম ১৭৬০ খৃষ্টাব্দে সন্ধি অনুসারে কোম্পানিকে ছেড়ে দিয়েছিলেন  সেই স্থানে  কোম্পানীর নিজস্ব রেসিডেন্ট এর হাতেই ফৌজদারী ও দেওয়ানী মোকদ্দমার ভার অর্পিত ছিল । এই  রেসিডেন্টগণ একাধারে বিচার, শাসন , রাজস্ব আদায় ও ব্যবসা বাণিজ্যের কর্তা ছিলেন ।  

ওয়ারেন হেষ্টিংস বাংলার গভর্নর হওয়ার পর  ১৭৭২ সালে ২১ শে আগষ্টের রেগুলেশন অনুযায়ী প্রতি জেলায় একটি করে দেওয়ানী এবং একটি  করে  ফৌজদারী  আদালত তৈরী করেন ।  

১৭৮১ সালের ৬ই এপ্রিল তারিখের  রেগুলেশন  অনুযায়ী বঙ্গদেশে ১৩ টি   দেওয়ানী  আদালত  স্থাপিত হয় । তার মধ্যে মেদিনীপুর অন্যতম । সেরমন বার্ড  মেদিনীপুরে প্রথম জজ । এরপর কোর্ট  অফ্‌ ডিরেক্টর গনের ১৭৮৬ খৃষ্টাব্দের  ১২ ই  মার্চ তারিখের আদেশানুযায়ী ১৭৮৭ সালের  ২৭ শে জুন যে  রেগুলেশন বিধিবদ্ধ হয় তার ফলে  দেওয়ানী  আদালতগুলি  উঠিয়ে  দিয়ে  পৃথক  জজ  ম্যাজিস্ট্রেটের  পদ রহিত করা হয় । ঐ সময় জেলার কালেকটরকে জজ  ম্যাজিস্ট্রেটের  ক্ষমতা  অর্পণ  করা হয় । তাঁরা দেওয়ানী মোকদ্দমা করতেন এবং ছোট ছোট ফৌজদারী মামলার বিচার করে ১৫ ঘা বেত বা ১৫ দিন পর্যন্ত জেল দিতে পারতেন । আসামীকে ধরে আনার ক্ষমতাও ছিল তাঁদের । জন পিয়ার্স সাহেব মেদিনীপুরের প্রথম জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট কালেকটর । এর পূর্বে তিনি শুধু মেদিনীপুরের কালেকটর ছিলেন । ঐ সময় বড় বড় ফৌজদারী মোকদ্দমার বিচার ফৌজদারী আদালতেই হত । জজ ম্যাজিস্ট্রেট কালেকটর গুরু অপরাধের আসামীদীগকে আদালতে সোপর্দ করতেন । ফৌজদারী বিচার কাজী করতেন এবং কাজী মুর্শিদাবাদের নাজিমের কর্ত্তৃত্বআধীন ছিলেন । কারন নবাবদের আইন তখনও চালু ছিল । সে সময় মেদিনীপুরে কালেকটরই জজ ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতা  প্রাপ্ত হন । তখন হিজলি ও মেদিনীপুর জেলা নিয়ে একটি ফৌজদারী আদালত স্থাপিত হয় ।

১৭৯৩ সালে পুনরায় এই ব্যবস্থা পরিবর্তন হয় । এই সব ফৌজদারী আদালত তুলে দেওয়া হয় এবং পরিবর্তে কোলকাতা ঢাকা এবং মুর্শিদাবাদে তিনটি সার্কিট কোর্ট স্থাপন করা হয় । প্রত্যেক সার্কিট কোর্টে দুজন করে ইংরেজ বিচারপতি এবং তাঁদের সাহায্য করার জন্য একজন কাজি ও একজন মুফতি থাকতেন । হিজলি ও মেদিনীপুর জেলার  ফৌজদারী আদালত মোকদ্দমাগুলি তৎকালে কোলকাতা বিভাগের সার্কিট কোর্টে বিচার হোত । সার্কিট কোর্টের বিচারকগণ  ও নিজামৎ আদালত গভর্নর জেনারেল ও তার কাওউনসিলের সভ্যদিগকে ক্লকাতায় স্থানান্তরিত করা হয় ।১৭৯৩ সালে তৃতীয় রেগুলেশন অনুযায়ী বাংলায় পুনরায় ১৫ টি দেওয়ানী আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কালেকটার ও জজ ম্যাজিস্ট্রেটের পদ আবার পৃথক করা হয় । কালেকটরের হাতে রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত কার্যের ভার থাকে এবং বিচার ও শাসন জজ  ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তে ন্যস্ত হয় । জেলায় জজ ম্যাজিস্ট্রেটের নিস্পত্য দেওয়ানী মামলা আপীল শুনবার জন্য ফৌজদারী সার্কিট কোর্টের ন্যায় কলকাতা ঢাকা এবং মুর্শিদাবাদে তিনটি প্রোভিনস্যাল কোর্ট স্তাপিত হয়েছিল । প্রত্যেক প্রোভিনস্যাল কোর্টে ৩ জন জজ বসে বিচার করতেন । এই ৩ টি কোর্টের উপর আবার কোলকাতার সদর দেওয়ানী আদালত বলে একটি উচ্চ আদালত স্তাপিত হয়েছিল এবং একজন পৃথক জজ ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হয়েছিলেন ।

১৭৯৩ সালে মেদিনীপুরেও একটি দেওয়ানী আদালত স্থাপিত হয়েছিল এবং এক জন পৃথক জজ ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হয়েছিলেন । ১৭৯৪ এবং ১৭৯৬ সালে যথাক্রমে হিজলি ও তমলুক জেলাও মেদিনীপুর ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে আসে । ১৮৩১ সালে বগড়ী পরগনার রাজস্ব বিভাগ বর্ধমান জেলা থেকে মেদিনীপুর জেলাতেই চলেছিল ।

এই ভাবে মেদিনীপুরের জজ-ম্যাজিস্ট্রেটের কাজকর্মের পরিধি ক্রমশ বৃদ্ধি হতে থাকে । ১৮২৯ সালের মে মাশের মেদিনীপুরে ডিক সাহেব জজ এবং হেনরী সাহেব জজ-ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন । জজ দিগের হাতে জেলার সমস্ত দেওয়ানী এবং ফৌজদারী মামলার বিচার ভার অর্পিত হয় ।

ঐ সময় সার্কিট কোর্টগুলি উঠে গিয়ে রেভিনিউ কমিশনার পদের সৃষ্টি হয় । ঐ সময়েই কালেকটর, জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগন সকলেই কমিশনারদের অধীনে চলে যায় । তখন কমিশনারগণ রাজস্ব সংক্রান্ত যাবতীয় কার্য্যাদি ব্যাতীত দায়রা মোকদ্দমাও বিচার করতেন ।

১৮৭২ সালে এলাকাবাসীর আবেদনে ঘাটাল ও চন্দ্রকোনা থানার কাজও মেদিনীপুরে চলে আসে । এর আগে এই সব কাজকর্ম হুগলীতে হোত ।

Front Page: 
Yes
Set Order: 
1